HomeNo Image is Available
AuthorsNo Image is Available
Contact UsNo Image is Available
Correction PolicyNo Image is Available

Languages & Countries :






More about them

ফেক নিউজNo Image is Available
ফ্যাক্ট ফাইলNo Image is Available
শরীর স্বাস্থ্যNo Image is Available
HomeNo Image is Available
AuthorsNo Image is Available
Contact UsNo Image is Available
Correction PolicyNo Image is Available

Languages & Countries :






More about them

ফেক নিউজNo Image is Available
ফ্যাক্ট ফাইলNo Image is Available
শরীর স্বাস্থ্যNo Image is Available
ফেক নিউজ

চুরির অভিযোগে যুবককে হত্যার ভিডিওকে আ.লীগ নেতাকে হত্যা বলে প্রচার

বুম বাংলাদেশ দেখেছে, এটি আওয়ামী লীগ নয়; বরং চুরির অভিযোগে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে আল আমিন নামের এক রোহিঙ্গা যুবককে পিটিয়ে হত্যার ভিডিও।

By -  Mamun Abdullah |

31 Oct 2026 1:20 AM IST

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি ও পেজ থেকে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে মারধর করার একটি ভিডিও পোস্ট করে দাবি করা হচ্ছে, এটি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয় । এরকম কয়েকটি পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে এবং এখানে।

গত ২৬ অক্টোবর ‘প্রতিবাদী কন্ঠ’ নামক একটি পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করে উল্লেখ করা হয়, “অপরাধ শুধু একটাই আওয়ামী লীগ করতো।” নিচে পোস্টটির স্ক্রিনশট দেখুন-- 


ফ্যাক্ট চেক:

বুম বাংলাদেশ যাচাই করে দেখেছে, আলোচ্য দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে আলোচ্য ভিডিওটি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যার নয়; বরং ভিডিওটি চুরি করার দায়ে উখিয়ার ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে আল আমিন নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার দৃশ্য।

ভাইরাল ভিডিওটির কি ফ্রেম নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করে “উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গণপিটুনিতে নিহত ১, আহত ৩ শত মানুষের সামনে নির্মম মারধর, থামানোর উদ্যোগ কোথায়—প্রশ্ন বিবেকের কাছে” শিরোনামে ‘আইটিএন নিউজ’ এর ওয়েবসাইটে একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। ২৬ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রকাশিত ছবির সঙ্গে ফেসবুকে প্রচারিত ভিডিওর মিল পাওয়া যায়। যেখানে বলা হয়, কক্সবাজারের উখিয়ার একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গণপিটুনির ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন এক নারীসহ আরও তিনজন। ঘটনাটি শুধু একটি মৃত্যুর খবর নয়, বরং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং মানুষের বিবেকবোধ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটে উখিয়ার ময়নারঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৮-এর এল/২ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, আল আমিন (৩০), ওরফে ‘চোরা হালাইয়া’, চুরির উদ্দেশ্যে হাসিনা খাতুনের (৫০) বসতঘরে প্রবেশ করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় বাড়ির লোকজন তাঁকে বাধা দিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হাসিনা খাতুন এবং তাঁর দুই ছেলে ইমাম হোসেন (৩১) ও আল মিজানকে (২৫) আঘাত করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ রয়েছে। পরে পালিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত কয়েকজন রোহিঙ্গা তাঁকে গণপিটুনি দেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। স্ক্রিনশট দেখুন-- 


পাশাপাশি, কি ওয়ার্ড সার্চ করে কক্সবাজারের স্থানীয় সংবাদভিত্তিক ফেসবুক পেজ `Panowa News’ এ প্রকাশিত একটি ফটোকার্ডযুক্ত পোস্ট পাওয়া যায়। যেই ফটোকার্ডে থাকা ছবির সঙ্গে ভাইরাল ভিডিওটির মিল পাওয়া যায়। গত ২৬ অক্টোবর প্রকাশিত পোস্টের কমেন্টে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, কক্সবাজারের উখিয়ার ময়নারঘোনা ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে গণপিটুনিতে আল আমিন (৩০) নামের এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক নারীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে ক্যাম্পের এল-২ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে আল আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। পোস্টটি দেখুন-- 

Full View

এসব প্রতিবেদনগুলোতে নিহত যুবকের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে নয়, বরং চুরির অভিযোগে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আল আমিন নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

সুতরাং চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ভিডিওটি আওয়ামী লীগ কর্মী হত্যার দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে ফেসবুকে, যা বিভ্রান্তিকর।

Related Stories