HomeNo Image is Available
AuthorsNo Image is Available
Contact UsNo Image is Available
Correction PolicyNo Image is Available

Languages & Countries :






More about them

ফেক নিউজNo Image is Available
ফ্যাক্ট ফাইলNo Image is Available
শরীর স্বাস্থ্যNo Image is Available
HomeNo Image is Available
AuthorsNo Image is Available
Contact UsNo Image is Available
Correction PolicyNo Image is Available

Languages & Countries :






More about them

ফেক নিউজNo Image is Available
ফ্যাক্ট ফাইলNo Image is Available
শরীর স্বাস্থ্যNo Image is Available
ফেক নিউজ

শফিকুল আলমের দেশত্যাগের দাবিতে এআই সম্পাদিত ছবি প্রচার

বুম বাংলাদেশ দেখেছে, শফিকুল আলমের দেশত্যাগের দাবিটি সঠিক নয়; প্রচারিত ছবিটি মূলত এআই দিয়ে সম্পাদনা করে তৈরি করা হয়েছে।

By - BOOM FACT Check Team | 22 Feb 2026 7:20 PM IST

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দুইটি ছবির কোলাজ পোস্ট করা হয়েছে; এতে বাংলাদেশের বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বিমানবন্দরে লাগেজ সহ দেখা যাচ্ছে। পোস্টে দাবি করা হয়েছে, শফিকুল আলম শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশত্যাগের জন্য অপেক্ষা করছেন। এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানেএখানে

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘সঞ্জীব মুক্তি’ নামক প্রোফাইল থেকে এরকম একটি পোস্ট করা হয়। পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ইউনূস সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফ্লাইট নাম্বার MH197 মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সে ভোটের পরেরদিন রাত ০১:৫৫ মিনিটে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার কথা শোনা গেছে (সংক্ষেপিত)। পোস্টটির স্ক্রিনশট দেখুন —



ফ্যাক্ট চেক:

বুম বাংলাদেশ যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। প্রেস সচিব শফিকুল আলমের দেশত্যাগের এই দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রকৃতপক্ষে ভোটের পরদিন শফিকুল আলম দেশত্যাগ করেননি এবং প্রচারিত ছবিগুলো আলাদা আলাদা ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির সাহায্যে সম্পাদনার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।

রিভার্স ইমেজ সার্চ করে শুধুমাত্র বিমানবন্দরের আলাদা ছবিটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাওয়া যায়। একইভাবে শফিকুল আলমের ছবিটিও বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাওয়া যায়। প্রাপ্ত ছবি দুইটির কোলাজ দেখুন --



এদিকে সার্চ করে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী দেখা যায় সেসময়ের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে তিনি বিফ্রিং করেছেন। সেসময়ে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছিলেন ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সবার শপথ সম্পন্ন হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে একের অধিক আলাদা আসল ব্যক্তির ছবি ব্যবহার করে একই দৃশ্যে তাদের জুড়ে দেওয়া কিংবা একটি ছবিকে সম্পাদনা বা বিকৃত করার উদাহরণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নিখুঁত এবং সহজলভ্য হওয়ায় এই ধরনের সরাসরি বা ছবি থেকে ছবি তৈরির ক্ষেত্রে গুগলের জেনারেটিভ টুল 'জেমিনি (Gemini)' ব্যবহারের প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জেমিনির ২.৫ ফ্ল্যাশ বা তার চেয়ে উন্নত মডেলে (ছবির ক্ষেত্রে ন্যানো ব্যানানা বলা হয়) আগের চেয়েও বেশি বাস্তবের ন্যায় যে কোনো ধরনের ছবি তৈরি করতে সক্ষম।

ন্যানো ব্যানানা (Nano Banana) হলো গুগল-এর Gemini 2.5 Flash Image মডেলটির কোডনেম বা অভ্যন্তরীণ ডাকনাম। এই মডেলটি মূলত একটি উন্নত এআই ইমেজ এডিটিং মডেল যা টেক্সট কমান্ড বা বর্ণনা ব্যবহার করে ছবি তৈরি এবং সম্পাদনা করতে পারে। সর্বশেষ হালনাগাদে জেমিনির মডেলগুলোকে আরো উন্নত করা হয়েছে।

জেমিনি টুল দিয়ে তৈরি কিনা নিশ্চিত হতে গুগলেরই SynthID ডিটেকশন টুলে ছবিটিকে যাচাই করা হয়েছে। কেননা গুগলের জেনারেটিভ টুলগুলো তাদের ইমেজ কন্টেন্টে সাধারণ ওয়াটারমার্কিংয়ের পাশাপাশি 'SynthID' নামক এক ধরনের ওয়াটারমার্কিং ব্যবহার করে যা খালি চোখে শনাক্ত করা যায় না। তবে গুগলের SynthID ডিটেকশন টুল সেটি শনাক্ত করতে পারে।

এই শনাক্তকরণ টুলের মাধ্যমে ফেসবুকে প্রচারিত ছবিটি যাচাই করলে 'গুগলের এআই ইমেজ জেনারেটিভ মডেল ব্যবহার করা হয়েছে' বলে ফলাফল দিয়েছে এবং ছবিতে SynthID শনাক্ত করেছে। দেখুন --



অর্থাৎ ছবিটি গুগলের এআই মডেল ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য পূর্ববর্তী কোনো দৃশ্যে একজন ব্যক্তিকে এআইয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয় তাহলে সেই ধরনের কন্টেন্টকে এআই দ্বারা তৈরি হিসেবে উল্লেখ করার পাশপাশি আরো নির্দিষ্ট করে এআই দ্বারা সম্পাদনার মাধ্যমে তৈরি অথবা ডিপফেক কনটেন্ট বলা হয়।

সুতরাং সামাজিক মাধ্যমে বাস্তব দৃশ্যের বলে এআই প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি ছবি বাস্তব ঘটনার ছবি হিসেবে প্রচার করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর।

Tags:

Related Stories