HomeNo Image is Available
AuthorsNo Image is Available
Contact UsNo Image is Available
Correction PolicyNo Image is Available

Languages & Countries :






More about them

ফেক নিউজNo Image is Available
ফ্যাক্ট ফাইলNo Image is Available
শরীর স্বাস্থ্যNo Image is Available
HomeNo Image is Available
AuthorsNo Image is Available
Contact UsNo Image is Available
Correction PolicyNo Image is Available

Languages & Countries :






More about them

ফেক নিউজNo Image is Available
ফ্যাক্ট ফাইলNo Image is Available
শরীর স্বাস্থ্যNo Image is Available
ফেক নিউজ

চাঁদা না দেয়ায় দোকান ভাঙচুর দাবিতে প্রচারিত ছবিটি এআই তৈরি

বুম বাংলাদেশ দেখেছে, চাঁদা না দেয়ায় দোকান ভাঙচুরের এই ছবিটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে।

By - Mamun Abdullah | 28 Feb 2026 10:36 PM IST

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি ও পেজ থেকে দোকান ভাঙচুরের একটি ছবি পোস্ট করে দাবি করা হচ্ছে, ১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় অসহায় ব্যক্তিটির দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। এরকম কয়েকটি পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে এবং এখানে

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ‘Ataur Rahman’ নামক একটি আইডি থেকে ছবিটি পোস্ট করে উল্লেখ করা হয়, “মাত্র ১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় রাস্তার পাশে ছোট একটি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে! একটি গরিব ও অসহায় পরিবার প্রতিদিন রাস্তার পাশে ছোট দোকান বসিয়ে কোনোমতে জীবিকা নির্বাহ করে। তাদের প্রতিদিনের আয় প্রায় ৩০০ টাকা। হঠাৎ করে কিছু লোক প্রতিদিন ১০০ টাকা চাঁদা দাবি করে। দোকানদার অসহায়ভাবে বলেন— “আমরা প্রতিদিন ৩০০ টাকা ইনকাম করি। ১০০ টাকা চাঁদা দিলে পরিবার চালাবো কীভাবে? আমরা গরিব মানুষ, একটু ছাড় দেন।” কিন্তু তার কথা না শুনে দোকান ভাঙচুর করে সব মালামাল রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। ❗ একজন গরিব মানুষের কষ্টের রোজগার এভাবে নষ্ট করে দেওয়া—এটা কি মানবিক? ❗ এমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কি চুপ থাকা উচিত?” নিচে পোস্টটির স্ক্রিনশট দেখুন--  



ফ্যাক্ট চেক:

বুম বাংলাদেশ যাচাই করে দেখেছে, ছবিটি বাস্তব নয়। অর্থাৎ চাঁদা না দেওয়ায় একটি ভাসমান দোকান ভাঙচুরের আলোচ্য ছবিটি বাস্তব দৃশ্যের নয় বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছবিটি তৈরি করা হয়েছে।

আলোচ্য ছবিটি নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করে গ্রহণযোগ্য কোনো মাধ্যমে দাবি অনুযায়ী ছবিটি বাস্তব হওয়ার বিষয়ে কিংবা ছবির বিষয়েও উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, ছবির মাঝখানে বসে থাকা ব্যক্তির হাত এবং পায়ের আঙ্গুলের দিকে তাকালে দেখা যায় সেগুলো স্বাভাবিক নয়। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা খাবার (যেমন মুড়ি, চানাচুর) এবং পাত্রগুলোর গঠন খুব বেশি মসৃণ এবং কিছু মাটির সাথে মিশে আছে বলে মনে হচ্ছে। ছবির আলো-ছায়া এবং মানুষের গায়ের চামড়ার টেক্সচার অতিরিক্ত তীক্ষ্ণ বা প্লাস্টিকের মতো দেখায়।

আলোচ্য ছবিটি এআই ব্যবহার করে তৈরি করা ছবির বৈশিষ্ট্যও পরিলক্ষিত হয়।

পরবর্তীতে, এআই ছবি শনাক্তের টুল 'হাইভ' ব্যবহার করে ছবিগুলো যাচাই করা হয়। টুলটি ছবিটিকে সম্ভাব্য এআই দ্বারা তৈরি ছবি হিসেবে ফলাফল প্রদান করেছে। ছবিটির ফলাফলের স্ক্রিনশট দেখুন-- 



এছাড়া এআই ছবি শনাক্তের আরেক টুল 'সাইট ইন্জিন' ব্যবহার করেও ছবিটি যাচাই করা হয়। এই টুলটিও ছবিটিকে সম্ভাব্য এআই দ্বারা তৈরি ছবি হিসেবে ফলাফল প্রদান করেছে। ছবিটির ফলাফলের স্ক্রিনশট দেখুন-- 


অর্থাৎ আলোচ্য ছবিটি বাস্তব নয় বরং এটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

সুতরাং এআই প্রযুক্তিতে তৈরি ছবিকে চাঁদা না দেওয়ায় ভাসমান দোকান ভাঙচুর দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে ফেসবুকে, যা বিভ্রান্তিকর।

Related Stories