ভিন্ন ঘটনার ভিডিও দিয়ে জেন-জি আন্দোলনে অমিতাভের সমর্থন বলে প্রচার
বুম বাংলাদেশ দেখেছে, ভাইরাল ভিডিওটি ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে অমিতাভ বচ্চনের সমর্থন দেয়ার নয়। বরং, এটি তার ভক্তদের সঙ্গে জলসা বাংলোর বাইরে সাক্ষাতের দৃশ্যের।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি ও পেজ থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করে দাবি করা হচ্ছে, বলিউড তারকা অমিতাভ বচ্চন ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে গিয়ে তাদের সমর্থন জানান। এরকম কয়েকটি পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে এবং এখানে।
গত ২৪ জুলাই ‘Dhaka Digit’ নামক একটি আইডি থেকে ভিডিওটি পোস্ট করে উল্লেখ করা হয়, “আন্দোলনে সমর্থন দিলেন অমিতাভ বচ্চন।” নিচে পোস্টটির স্ক্রিনশট দেখুন--
ফ্যাক্ট চেক:
বুম বাংলাদেশ যাচাই করে দেখেছে, আলোচ্য দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে আলোচ্য ভিডিওটি বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে গিয়ে তাদেরকে সমর্থন দেওয়ার নয়; বরং এটি তার ভক্তদের সঙ্গে জলসা বাংলোর বাইরে সাক্ষাতের পুরোনো দৃশ্য।
ভাইরাল ভিডিওটির কি ফ্রেম নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করে ‘Bollywood Society’ নামক একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জুনের ১ তারিখের একটি ভিডিও পোস্ট খুঁজে পাওয়া যায়। যেই ভিডিওর সঙ্গে সম্প্রতি ফেসবুকে আলোচ্য দাবিতে প্রচারিত ভিডিওর মিল পাওয়া যায়। যেখানে বলা হয়, নিজের বাংলো 'জলসা'র সামনে ভক্তদের শুভেচ্ছা জানালেন অমিতাভ বচ্চন। ভিডিওটি দেখুন--
রিভার্স ইমেজ সার্চ করে বলিউড বিনোদন প্ল্যাটফর্ম ‘Voompla’ এর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও পোস্ট খুঁজে পাওয়া যায়। ১ জুন করা পোস্টের এই ভিডিওর সঙ্গে সম্প্রতি ফেসবুকে আলোচ্য দাবিতে প্রচারিত ভিডিওর মিল পাওয়া যায়। যেখানে বলা হয়, রবিবার অমিতাভ বচ্চনের নিয়মিত রীতি, তার বাড়ির সামনে ভক্তদের সমাগম। ভিডিওটি দেখুন--
পাশাপাশি, কি ওয়ার্ড সার্চ করে বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে গিয়ে তাদের সমর্থন দিয়েছেন বলে এমন কোনো তথ্য বা প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।
এমনকি অমিতাভ বচ্চনের ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও এক্স একাউন্টেও এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ ভাইরাল ভিডিওটি অমিতাভ বচ্চনের ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে সমর্থন জানানোর নয়। বরং এটি তার বাসভবনে ভক্তদের সঙ্গে সাক্ষাতের পুরোনো ভিডিও।
সুতরাং, ভক্তদের সঙ্গে সাক্ষাতের পুরোনো ভিডিও দিয়ে অমিতাভ বচ্চনের ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে সমর্থন দেয়ার ভিডিও দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে ফেসবুকে, যা বিভ্রান্তিকর।




