মৃত গবাদিপশুর ছবিটি সিলেটের বন্যার নয়

বুম বাংলাদেশ দেখেছে, ছবিটি সম্প্রতি ভারতের মেঘালয় প্রদেশের গারোপাহাড়ে হওয়া ভূমিধ্বস ও বন্যার সময় তোলা।

সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের একাধিক আইডি, পেজ ও গ্রুপে গবাদিপশু মারা যাওয়ার একটি ছবি শেয়ার করে বলা হচ্ছে যে, এটি সিলেটের সাম্প্রতিক বন্যার ছবি। এরকম কিছু পোস্ট দেখুন এখানে, এখানেএখানে

গত ১৮ জুন 'প্রবাসী নিউজ' নামে একটি পেজে ছবিটি পোস্ট করে লেখা হয়, "সিলেট 😓💔 কুরবানীতো অনেক দিলেন প্রতিবছর। এইবার না হয় একটু ছোট গরু দিয়ে কুরবান করেন । যাদের সামর্থ্য আছে আপনারা সবাই সিলেটের অসহায়দের পাশে দাঁড়ান 😢

আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুক ❤️"। পোস্টটির স্ক্রিনশট দেখুন---


ফ্যাক্ট চেক:

বুম বাংলাদেশ যাচাই করে দেখেছে, আলোচ্য ছবিটি সিলেটের সাম্প্রতিক বন্যার নয় বরং ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারোপাহাড়ে সাম্প্রতিক ভূমিধস ও বন্যার সময়কার।

রিভার্স ইমেজ সার্চ করে ছবিটি 'Northeast Now' নামের একটি ইংরেজি অনলাইন পত্রিকায় গত ১০ জুন "Photos & videos | Meghalaya: Floods, landslides wreak havoc in Garo Hills" শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটিতে মেঘালয় রাজ্যে সম্প্রতি বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এবং প্রকাশিত একাধিক ছবির মধ্যে গবাদিপশুর মারা যাওয়ার আলোচ্য ছবিটি কাভার ইমেজ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিবেদনটির স্ক্রিনশট দেখুন--

প্রতিবেদনটি দেখুন এখানে

আরো সার্চ করে, সামাজিক মাধ্যম টুইটারে একটি টুইটার পোস্ট খুঁজে পাওয়া যায় যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ছবিটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মেঘালয় রাজ্যের সাম্প্রতিক ভূমিধস ও বন্যার ঘটনার সময়ে ধারণ করা। টুইটার পোস্টটি দেখুন--

অর্থ্যাৎ ভারতের মেঘালয় রাজ্যের প্রাকৃতিক দূর্যোগ ভূমিধস ও বন্যার ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির ছবিকে বাংলাদেশের সিলেটের সাম্প্রতিক বন্যার ঘটনার বলে প্রচার করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ভয়াবহ বন্যায় বাংলাদেশের সিলেট শহর ও সুনামগঞ্জে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দী হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমে। বন্যার ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সেনাবাহিনী ও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ মানুষও কাজ করছে।

সুতরাং, ভারতের মেঘালয় রাজ্যে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষয়ক্ষতির ছবিকে সিলেটে চলমান ভয়াবহ বন্যার বলে প্রচার করা হচ্ছে, যা বিভ্রান্তিকর।

Claim :   সিলেট। যাদের সামর্থ্য আছে আপনারা সবাই সিলেটের অসহায়দের পাশে দাঁড়ান।
Claimed By :  Facebook post
Fact Check :  False
Show Full Article
Next Story
Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.