BOOM Bangladesh
  • ফেক নিউজ
  • ফ্যাক্ট ফাইল
  • শরীর স্বাস্থ্য
  • Home-icon
    Home
  • Authors-icon
    Authors
  • Contact Us-icon
    Contact Us
  • Correction Policy-icon
    Correction Policy
  • ফেক নিউজ-icon
    ফেক নিউজ
  • ফ্যাক্ট ফাইল-icon
    ফ্যাক্ট ফাইল
  • শরীর স্বাস্থ্য-icon
    শরীর স্বাস্থ্য
  • Home
  • ফেক নিউজ
  • ভিডিওর ব্যক্তি আয়াতুল্লাহ আলী...
ফেক নিউজ

ভিডিওর ব্যক্তি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেহরক্ষী নয়

বুম বাংলাদেশ দেখেছে, ভিডিওর ব্যক্তি খামেনির দেহরক্ষী নন বরং তিনি সিরিয়ার প্রাক্তন সেনাসদস্য তাইসির মাহফুজ।

By - Ummay Ammara Eva |
Published -  8 March 2026 10:40 AM IST
  • ভিডিওর ব্যক্তি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেহরক্ষী নয়

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করে বলা হচ্ছে, ভিডিওতে উপস্থিত ব্যক্তি ইরানের সদ্যপ্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দেহরক্ষী। এরকম কয়েকটি এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে, এখানে ও এখানে।

    গত ৪ মার্চ 'Sharifuddin Ahmed' নামে একটি ফেসবুক একাউন্ট থেকে ভিডিওটি শেয়ার করে বলা হয়, "দেখুন এই সেই মিরজাফর মোনাফেক গাদ্দার.. যিনি আয়াতুল্লাহ খোমেনির দেহরক্ষী ছিলেন যিনি আয়াতুল্লাহ খোমেনির সমস্ত তথ্য আদান-প্রদান করতেন ইসরায়েল ও আমেরিকার কাছে। ইরান গোয়েন্দাদের জালে অবরুদ্ধ এখন সমস্ত ঘটনার দায় শিকার করছেন। তার মত কিছু মিরজাফরের কারণেই নবাব সিরাজউদ্দৌলা ধ্বংস হয়েছিল। ভিডিও টি সবাই শেয়ার করে এই যুগের শ্রেষ্ঠ মিরজাফর কে দেখার সুযোগ করে দিন।"। ফেসবুক পোস্টটির স্ক্রিনশট দেখুন--



    ফ্যাক্ট চেক:

    বুম বাংলাদেশ দেখেছে, আলোচ্য পোস্টের দাবিটি সঠিক নয়। ভিডিওতে দৃশ্যমান ব্যক্তি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেহরক্ষী নয়। সিরিয়ায় আটক তাইসির মাহফুজ নামে একজন অপরাধীকে আটকের পরে আলোচ্য ভিডিওটি ধারণ করা হয়।

    ভিডিওটির ব্যাপারে জানতে ভিডিওটি থেকে কি-ফ্রেম কেটে নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন 'كناكر الحدث' নামে সিরিয়া থেকে পরিচালিত একটি ফেসবুক একাউন্ট থেকে পোস্ট করা আলোচ্য ভিডিওটির মত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। পোস্টটির ক্যাপশনে লেখা থাকতে দেখা যায়, "لقاء المظلوم بالظالم ال'مجرم تيسير محفوض مسؤول الدراسات في… (নিপীড়িতরা যখন নিপীড়কের মুখোমুখি হয়। অপরাধী, তায়সির মাহফুজ- গুগলের সাহায্যে অনূদিত)"। ফেসবুক পোস্টটি দেখুন--

    পরবর্তীতে আরো কি-ওয়ার্ড সার্চ করে 'Ahmad Ahmad' নামে একটি ফেসবুক একাউন্ট থেকে করা একটি পোস্টে আলোচ্য ভিডিওটিতে দেখানো ব্যক্তিকে নিয়ে একটি পোস্ট করতে দেখা যায়। ওই পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, "#دمشق

    إلقاء القبض على ابو تيسر اكبر شبيح في منطقة المزة...

    زلغيط النسوان و ضرب رصاص و احتفالات و تبادل تهنئة و فرحة عارمة بعد القبض على الشبيح يلي كان السبب باستشهاد المئات من شباب المزة و حرق قلوب اهاليهم ابو محمد تيسير

    لهلا ما بنسى يوم لما فاتو لعنا ...

    الحمد لله الحمد لله حتى يبلغ الحمد منتهاه (#দামেস্ক মেজ্জেহ এলাকার সবচেয়ে বড় গুন্ডা আবু তাইসিরের গ্রেপ্তার... মেজ্জের শত শত যুবকের শহীদ হওয়া এবং তাদের পরিবারের হৃদয় ভেঙে দেওয়ার জন্য দায়ী গুন্ডাকে গ্রেপ্তারের পর নারীরা উল্লাস করছে, গুলি করছে, অভিনন্দন জানাচ্ছে এবং অপ্রতিরোধ্য আনন্দ। আবু মুহাম্মদ তাইসির। আমি এখনও ভুলিনি যেদিন তারা আমাদের এলাকায় এসেছিল... আল্লাহর প্রশংসা যতক্ষণ না প্রশংসা তার চূড়ান্ত পরিণতিতে পৌঁছায়- গুগলের মাধ্যমে অনূদিত)"। ফেসবুক পোস্টটি দেখুন--



    পরবর্তীতে কি-ওয়ার্ড সার্চ করে ২০২৪ সালের ২৪ এপ্রিল তুরস্ক থেকে প্রকাশিত 'yeniakit.com.tr' নামে একটি গণমাধ্যমে "Geride binlerce cinayet bıraktı! O katil sonunda enselendi (সে হাজার হাজার খুন করে রেখে গেছে! অবশেষে সেই খুনি ধরা পড়ল।)" শিরোনামে প্রচারিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, "(সিরিয়ায়, আসাদ সরকারের পতনের পর, সরকারের ক্ষমতায় থাকাকালীন গণহত্যার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অবশেষে, রাজধানী দামেস্কের মেজ্জাহ জেলায় হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিককে অপহরণ ও হত্যার জন্য দায়ী শাসক কমান্ডারদের একজন তাইসির ওসমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসাদের শাসনামলে ২১৫তম সামরিক নিরাপত্তা শাখার নিরাপত্তা কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকা তাইসির ওসমানের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মানুষকে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছিল, যাদের বেশিরভাগই মেজ্জাহ এবং কেফর সুসা এলাকার বাসিন্দা। ওসমান আটক হওয়ার পরে স্থানীয় বাসিন্দারা উল্লাস করেছেন। -অনূদিত)"। স্ক্রিনশট দেখুন--



    এছাড়াও, আলোচ্য ভিডিওর ব্যক্তির ব্যাপারে আরো প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায় এখানে, এখানে ও এখানে।

    অর্থাৎ, আলোচ্য পোস্টের দাবিটি সঠিক নয়। ভিডিওতে দৃশ্যমান ব্যক্তি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেহরক্ষী নয়। সিরিয়ায় আটক সামরিক নিরাপত্তা শাখার সদস্য তাইসির মাহফুজ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে জনসাধারণের সামনে নিয়ে যাওয়ার সময়ে আলোচ্য ভিডিওটি ধারণ করা হয়।

    সুতরাং সিরিয়ার সামরিক নিরাপত্তা শাখার সদস্যের আটকের ভিডিও শেয়ার করে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দেহরক্ষীর বলে প্রচার করা হচ্ছে ফেসবুকে যা বিভ্রান্তিকর।

    Tags

    Iran attack IsraelFalse Claim
    Read Full Article
    Claim :   এই ব্যক্ত্‌ আয়াতুল্লাহ খোমেনির দেহরক্ষী, খোমেনির সমস্ত তথ্য দিতেন ইসরায়েল ও আমেরিকার কাছে। ইরান গোয়েন্দাদের কাছে দায় স্বীকার করেছেন।
    Claimed By :  Facebook post
    Fact Check :  False
    Next Story
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
    Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.
    X
    Or, Subscribe to receive latest news via email
    Subscribed Successfully...
    Copy HTMLHTML is copied!
    There's no data to copy!