Skip to main content
BOOM Bangladesh
  • ফেক নিউজ
  • ফ্যাক্ট ফাইল
  • শরীর স্বাস্থ্য
  • Home-icon
    Home
  • Authors-icon
    Authors
  • Contact Us-icon
    Contact Us
  • Correction Policy-icon
    Correction Policy
  • ফেক নিউজ-icon
    ফেক নিউজ
  • ফ্যাক্ট ফাইল-icon
    ফ্যাক্ট ফাইল
  • শরীর স্বাস্থ্য-icon
    শরীর স্বাস্থ্য
  1. Home
  2. ফেক নিউজ
  3. ভারতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া...
ফেক নিউজ

ভারতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের আটকের বলে ভিন্ন ভিডিও প্রচার

বুম বাংলাদেশ দেখেছে, ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পক্ষে ও বিপক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিবাদের সময়ে ভিডিওটি ধারণ করা হয়।

By -  Ummay Ammara Eva
Published -  14 Aug 2026 8:36 PM IST
  • ভারতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের আটকের বলে ভিন্ন ভিডিও প্রচার

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করে বলা হচ্ছে, ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন শেষে শিক্ষার্থীদেরকে খুঁজে খুঁজে গ্রেফতার করছে পুলিশ ও বিজেপি সদস্যরা। এরকম কয়েকটি ফেসবুক পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে ও এখানে।

    গত ২৭ জুলাই 'Desh Bangla 26' নামে একটি ফেসবুক আলোচ্য ভিডিওটি শেয়ার করে বলা হয়, "আন্দোলন শেষে ভারতে ছাত্র-ছাত্রীদের খুঁ`জে খুঁ`জে গ্রেফতার করছে পুলিশ ও বিজেপি সদস্যরা #DelhiPolice #cockhroachjanataparty #BJPGovernment"। ফেসবুক পোস্টটির স্ক্রিনশট দেখুন--


    ফ্যাক্ট চেক:

    বুম বাংলাদেশ যাচাই করে দেখেছে, আলোচ্য পোস্টের দাবিটি সঠিক নয়। ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের Social Equity Regulations (সামাজিক সমতা বিধান)-র পক্ষে ও বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের সময়ে ভিডিওটি ধারণ করা হয়।

    ভিডিওটি সম্পর্কে জানতে ভিডিওটি থেকে কি-ফ্রেম কেটে নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি 'Communist Party of India -Marxist Leninist- Liberation CPIML' নামে একটি ফেসবুক পেজ থেকে আলোচ্য ভিডিওটি পোস্ট করে বলা হয়, "Another video from the February 13 incident at Delhi University exposes the conspiracy of Sanghi-Casteist-Feudal goons against students demanding equity and social justice. These goons threatened AISA activists and DU students with vulgar abuses inside the Maurice Nagar Police Station. (দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩ই ফেব্রুয়ারির ঘটনার আরেকটি ভিডিও। সমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সংঘী-বর্ণবাদী-সামন্তবাদী গুণ্ডাদের ষড়যন্ত্র ফাঁস করে দিয়েছে। এই গুণ্ডারা মরিস নগর পুলিশ স্টেশনের ভেতরে এআইএসএ কর্মী এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অশ্লীল গালিগালাজ করে হুমকি দিয়েছিল।-অনুদিত)" ফেসবুক পোস্টটি দেখুন--



    আরো সার্চ করে ওই একই পেজ থেকে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পোস্ট করা আরেকটি পোস্ট খুঁজে পাওয়া যায়। ওই ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, "AISA Statement | Casteist oppressors are crying victim because the oppressed are demanding dignity — the curious case of Ruchi Tiwari and violence in Delhi University! Stop the casteist lies! Enact strengthened UGC Regulations against casteism! All over the media and right wing ecosystems, yesterday's protest for instation of the UGC Social Equity Regulations is being highlighted as an attack on upper caste people. A woman named Ruchi Tiwari, who has developed a notorious reputation of creating chaos and inciting violence in this social movement has taken a victim stage, while AISA activists Anjali and Neha are being targetted, getting rape and death threats constantly. It is nothing but a classic case of crying victim when the movement for dignity is taking center stage in India society. We have seen this same gameplan during the Mandal agitations as well where casteist forces tried to play victim while spewing all forms of filth at people demanding dignity. AISA appeals to all those concerned with peace, justice and democracy to look at hard facts and place the narrative where it must be placed: why does the demand for equality trigger Sanghi forces so much?... (এআইএসএ-র বিবৃতি | নিপীড়িতরা মর্যাদা দাবি করছে বলেই বর্ণবাদী নিপীড়করা অসহায় সাজার অভিনয় করছে — রুচি তিওয়ারি এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহিংসতার এই অদ্ভুত ঘটনা! বর্ণবাদী মিথ্যাচার বন্ধ করুন! বর্ণবাদের বিরুদ্ধে ইউজিসি-র আরও শক্তিশালী আইন প্রণয়ন করুন! সমস্ত গণমাধ্যম এবং ডানপন্থী মহলে, ইউজিসি-র সামাজিক সমতা আইন প্রতিষ্ঠার দাবিতে গতকালের প্রতিবাদকে উচ্চবর্ণের মানুষের উপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। রুচি তিওয়ারি নামের এক মহিলা, যিনি এই সামাজিক আন্দোলনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং সহিংসতায় উস্কানি দেওয়ার জন্য কুখ্যাত, তিনি অসহায় সাজার অভিনয় করছেন, অথচ এআইএসএ'র কর্মী অঞ্জলি এবং নেহাকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে এবং তারা ক্রমাগত ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি পাচ্ছেন। ভারতীয় সমাজে যখন মর্যাদার আন্দোলন কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে, তখন এটি অসহায় সাজার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ ছাড়া আর কিছুই নয়। আমরা মন্ডল আন্দোলনের সময়ও এই একই কৌশল দেখেছি, যেখানে বর্ণবাদী শক্তিগুলো মর্যাদা দাবি করা মানুষদের উপর সব ধরনের নোংরামি ছড়ানোর পাশাপাশি অসহায় সাজার চেষ্টা করেছিল। এআইএসএ শান্তি, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কঠিন বাস্তবতার দিকে নজর দিতে এবং সঠিক আখ্যানটি তুলে ধরতে আহ্বান জানাচ্ছে: কেন সমতার দাবি সংঘী শক্তিকে এতটা উত্তেজিত করে তোলে? -অনুদিত)" । ফেসবুক পোস্টটি দেখুন--


    পরবর্তীতে, কি-ওয়ার্ড সার্চ করে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার ওয়েবসাইটে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি "Woman journalist 'attacked, assaulted' during pro-UGC protest in Delhi University (দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসি-পন্থী বিক্ষোভ চলাকালে নারী সাংবাদিক 'আক্রমণ ও লাঞ্ছিত' হয়েছেন)" শিরোনামে একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, "A scuffle between rival student groups at the Arts Faculty of Delhi University on Friday triggered allegations of assault and counter-claims of violence, with both sides accusing each other of intimidation and misconduct. In a statement, the Akhil Bharatiya Vidyarthi Parishad (ABVP) alleged that a woman journalist associated with a YouTube channel was attacked around 2 pm while covering a protest on campus. (শুক্রবার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টস ফ্যাকাল্টিতে প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্র গোষ্ঠীগুলির মধ্যে একটি ঝগড়া আক্রমণের অভিযোগ এবং পাল্টা সহিংসতার দাবির সূত্রপাত করেছে, উভয় পক্ষ একে অপরকে ভয় দেখানো এবং অসদাচরণের অভিযোগ করেছে। একটি বিবৃতিতে, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) অভিযোগ করেছে যে একটি ইউটিউব চ্যানেলের সাথে যুক্ত একজন মহিলা সাংবাদিক ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ কভার করার সময় দুপুর ২টার দিকে হামলার শিকার হয়েছেন।)"। স্ক্রিনশট দেখুন--


    অর্থাৎ, আলোচ্য পোস্টের দাবিটি সঠিক নয়। আলোচ্য ভিডিওটি আন্দোলনকারীদেরকে গ্রেফতারের ঘটনায় ধারণকৃত নয়। ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের একটি বিধান Social Equity Regulations (সামাজিক সমতা বিধান) নিয়ে পক্ষে ও বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবাদের সৃষ্টি হয়। ভিডিওটি ওই ঘটনায় ধারণ করা হয়।

    সুতরাং ভিন্ন ঘটনার ভিডিওকে ভারতের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের গ্রেফতারের ভিডিও বলে প্রচার করা হচ্ছে ফেসবুকে যা বিভ্রান্তিকর।

    Tags

    Different IncidentViral VideoProtestIndia
    Read Full Article
    Claim :   আন্দোলন শেষে ভারতে ছাত্র-ছাত্রীদের খুঁজে খুঁজে গ্রেফতার করছে পুলিশ ও বিজেপি সদস্যরা।
    Claimed By :  Facebook post
    Fact Check :  False
    Next Story
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
    Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.
    X
    Or, Subscribe to receive latest news via email
    Subscribed Successfully...
    Copy HTMLHTML is copied!
    There's no data to copy!