BOOM Bangladesh
  • ফেক নিউজ
  • ফ্যাক্ট ফাইল
  • শরীর স্বাস্থ্য
  • Home-icon
    Home
  • Authors-icon
    Authors
  • Contact Us-icon
    Contact Us
  • Correction Policy-icon
    Correction Policy
  • ফেক নিউজ-icon
    ফেক নিউজ
  • ফ্যাক্ট ফাইল-icon
    ফ্যাক্ট ফাইল
  • শরীর স্বাস্থ্য-icon
    শরীর স্বাস্থ্য
  • Home
  • ফেক নিউজ
  • পুলিশ পেটানোর এই ভিডিওটি বাংলাদেশের...
ফেক নিউজ

পুলিশ পেটানোর এই ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়

বুম বাংলাদেশ দেখেছে, দুই ব্যক্তির পুলিশ সদস্যকে পেটানোর এই ভিডিওটি ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের ফুলবাণীতে ধারণ করা হয়েছে।

By - Ummay Ammara Eva |
Published -  31 March 2026 7:36 PM IST
  • পুলিশ পেটানোর এই ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের ফুলবাণী নামক স্থানে পুলিশ কনস্টেবলের উপরে প্রাণঘাতী হামলা করা হয়েছে। এরকম কয়েকটি ফেসবুক পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে ও এখানে।

    গত ৩ মার্চ 'শেখ মোঃ রাজু পাগলা' নামে একটি ফেসবুক একাউন্ট থেকে ভিডিওটি পোস্ট করে বলা হয়, "ব্রেকিং নিউজ যেখানে সকল মিডিয়ারা যুদ্ধ প্রচার নিয়ে ব্যস্ত বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখন অনেক খারাপ কোন মিডিয়া প্রচার করতেছে না এই বিষয়টা আপনারা সবাই শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন ভিডিওটি ডবল ইঞ্জিন সরকার, ছিঃ ধিক্কার!! পুলিশ যেখানে নিজেই সুরক্ষিত নয়, সেখানে একজন সাধারণ মানুষ কীভাবে সুরক্ষিত থাকবে? ফুলবাণীতে পুলিশ কনস্টেবলের ওপর প্রাণঘাতী হামলা!" ফেসবুক পোস্টটির স্ক্রিনশট দেখুন--



    ফ্যাক্ট চেক:

    বুম বাংলাদেশ যাচাই করে দেখেছে, আলোচ্য পোস্টের দাবিটি সঠিক নয়। মাঝরাস্তায় দুই ব্যক্তির পুলিশ সদস্যকে পেটানোর এই ভিডিওটি ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের ফুলবাণীতে ধারণ করা হয়েছে।

    আলোচ্য ভিডিওটি সম্পর্কে জানতে কি-ওয়ার্ড সার্চ করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি উড়িষ্যা থেকে প্রচারিত গণমাধ্যম কলিঙ্গ টিভির অনলাইন ভার্সনে "Intoxicated youths brutally attack police constable in broad daylight in Phulbani" শিরোনামে প্রচারিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। ওই প্রতিবেদনে আলোচ্য ভিডিওর মত একটি দৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, "কান্ধামাল জেলার ফুলবানির সাই মন্দিরের কাছে দিনের আলোতে দুই মাতাল যুবক একজন পুলিশ কনস্টেবলকে নৃশংসভাবে আক্রমণ করেছে। জানা গেছে, ফুলবানির সালুঙ্কি সাহির বাসিন্দা সন্তোষ প্রধান এবং অঞ্জন সোয়াইন নামের অভিযুক্তদের সঙ্গে কোনো এক অজানা কারণে কনস্টেবল মনোরঞ্জন সবতের তীব্র বাদানুবাদ হয়। এই বাদানুবাদে ক্ষিপ্ত হয়ে, মদ্যপ সন্তোষ প্রধান এবং অঞ্জন সোয়াইন পুলিশ কনস্টেবলকে মাটিতে ফেলে দেয় এবং উপস্থিত সকলের সামনেই তার মুখে, গলায় ও বুকে বারবার লাথি মারে। ঘটনার সময় পুলিশ কনস্টেবল সাধারণ পোশাকে ছিলেন। অভিযুক্তরা একটি ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে পুলিশ কনস্টেবলকে হত্যা করারও চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে এবং সন্তোষ প্রধান ও অঞ্জন সোয়াইন উভয়কে গ্রেপ্তার করে। (অনূদিত)"। স্ক্রিনশট দেখুন--



    আরো সার্চ করে গত ১ মার্চ 'Ramesh Tiwari' নামে একটি এক্স একাউন্ট থেকে প্রচারিত একটি প্রতিবেদনে আলোচ্য ভিডিওটির মত দৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়। ওই এক্স পোস্টে বলা হয়, "ওড়িশা: জঘন্য ও লজ্জাজনক – ফুলবানির দিনরাতের বিভীষিকা। সাই মন্দিরের কাছে দিনের আলোতে শত শত মানুষের চোখের সামনেই সন্তোষ প্রধান ও অঞ্জন সোয়াইন কনস্টেবল মনোরঞ্জন সবতকে নির্মমভাবে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে। ফুলবানি টাউন পুলিশ উভয় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে, তাদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু আসল প্রশ্নটি থেকেই যায় — আমরা উদ্ধার না করে কেন সেই দৃশ্য রেকর্ড করি? (অনূদিত)"। স্ক্রিনশট দেখুন--



    এছাড়াও, ভারতীয় গণমাধ্যম উড়িষ্যা পোস্ট, উড়িষ্যা টিভি এবং দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের ওয়েবসাইটে প্রচারিত প্রতিবেদন থেকেও ওই ঘটনার ব্যাপারে তথ্য পাওয়া যায়।

    অর্থাৎ, আলোচ্য পোস্টের দাবিটি সঠিক নয়। দুই ব্যক্তির পুলিশ সদস্যকে পেটানোর এই ভিডিওটি ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের ফুলবাণী নামক স্থানে ধারণ করা হয়েছে।

    সুতরাং ভারতের পুলিশ পেটানোর ভিডিওকে বাংলাদেশের দৃশ্য বলে প্রচার করা হচ্ছে ফেসবুকে যা বিভ্রান্তিকর।

    Tags

    PoliceAssaultIndia
    Read Full Article
    Claim :   বাংলাদেশে পুলিশ কনস্টেবলের ওপর প্রাণঘাতী হামলা।
    Claimed By :  Facebook post
    Fact Check :  False
    Next Story
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
    Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.
    X
    Or, Subscribe to receive latest news via email
    Subscribed Successfully...
    Copy HTMLHTML is copied!
    There's no data to copy!